যশোরের জেলা প্রশাসক পুলিশ সুপার সিভিল সার্জনসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে চাঁদা দাবি - Jashore Tribune

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Thursday, November 12, 2020

যশোরের জেলা প্রশাসক পুলিশ সুপার সিভিল সার্জনসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে চাঁদা দাবি

 


যশোর প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে মোটা অংকের টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছেন স্বয়ং যশোরের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন, কয়েকজন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এবং কয়েকজন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। কাউকে ফোন করে আবার কাউকে এস এম এস করে এই চাঁদা চাওয়া হয়েছে।

চাঁদা দাবিকারিরা নিজেদেরকে পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (সর্বহারা) সদস্য বলে দাবি করেছেন। চাঁদা না দিলে তাদের পরিবারের সদস্যদের ক্ষতি করা হবে বলেও হুমকি দেয়া হয়েছে। প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে এভাবে চাঁদা দাবির বিষয়টি ব্যাপকভাবে  আলোচিত হচ্ছে।


উল্লেখযোগ্য যেসব কর্মকর্তার কাছে চাঁদা চাওয়া হয়েছে মধ্যে রয়েছেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ তমিজুল ইসলাম খান, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন, সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মাদ রফিকুল হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আহমেদ জিয়াউর রহমান, যশোর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মীর আবু মাউদ, চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোসাম্মৎ লুৎফুন নাহার ও কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মাদ আলমগীর।

যশোরের সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আজ দুপুর একটা ৫০ মিনিটের দিকে তার কাছে ফোন করে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। তিনি বিষয়টি পুলিশ সুপারকে অবহিত করেছেন । এর আগে যশোর সদর, চৌগাছা ও কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদেরর কাছে একই ভাবে ফোন করে চাঁদা দাবি করা হয়। এ ব্যাপারের তারা ইতিমধ্যে থানায় জিডিই করেছেন।

চাঁদা চাওয়া হয়েছে পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেনের কাছেও। তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন,  ‘আমার কাছেও চাঁদা চাওয়া হয়েছে। কারা এর সাথে জড়িত তাদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।  দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।‘

 জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ তমিজুল ইসলাম খানের কাছে চাঁদা চাওয়া হয়েছে ৫০ লাখ টাকা। আজ দুপুর  একটার দিকে এসএমএস পাঠিয়ে ঐ চাঁদা দাবি করা হয়।  চাঁদা না দিলে তার পরিবারের সদস্যদের ক্ষতি করা হবে বলে হুমকি দেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক ছাড়াও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মাদ রফিকুল হাসান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আহমেদ জিয়াউর রহমানের কাছেও চাঁদা দাবি করা হয়েছে।

চাঁদাদাবিকারিরা কারো কারো কাছে বলেছে, ‘তাদের কর্মীদের চিকিৎসা বাবদ ৩৫ লাখ টাকা প্রয়োজন। এ পর্যন্ত ২৫ লাখ সংগ্রহ হয়েছে। বাকি টাকার জন্য আপনি সামর্থ্য অনুযায়ী দেবেন।

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad