রুপচাঁদার নামে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ পিরানহা,সামুদ্রিক মাছের নামে খাচ্ছেন ভয়ঙ্কর পিরানহা - Jashore Tribune

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Friday, September 11, 2020

রুপচাঁদার নামে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ পিরানহা,সামুদ্রিক মাছের নামে খাচ্ছেন ভয়ঙ্কর পিরানহা

রুপচাদা বলে ফেরি করে ভয়ঙ্কর মাছ বিক্রি হচ্ছে বাংলাদেশে,রুপচাদা,পিরানহা,মানুষ খেকো মাছ,ভয়ঙ্কর মাছ,ভয়ঙ্কর মাছ পিরানহা,piranha,piranha fish,fish,dangerious fish,বরিশাল নিউজ,barishal news,barishal crime news,bangla tv,bangla tv news,bangla news,bd news,bangla tv limited,banglatv.tv,বাংলা টিভি,সর্বশেষ সংবাদ,bangla news 24,bangla news live,bangla news update,bangladesh news,news,bangla tv news,all bangla news,latest bangla news

ঢাকার কাওরানবাজারে আজ র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণের আফ্রিকান মাগুর এবং পিরানহা মাছ উদ্ধার করেছে।

বাংলাদেশে কয়েক বছর আগে এই দুটি মাছ নিষিদ্ধ করা হলেও পিরানহা মাছ বিক্রি হচ্ছে রূপচাঁদার নামে অন্যদিকে ছোট আকারের নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রি করা হচ্ছে দেশি মাগুর বলে।

এভাবে ক্রেতাদের প্রতারিত করার দায়ে ৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। বিশেষ কিছু কারণে এই মাছ দুটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

পিরানহা মাছ দেখতে অনেকটা রূপচাঁদা মাছের মতো। তবে এর শরীরের রং কিছুটা লালচে এবং ধূসর।

এই মাছের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল এর ছোট শক্তিশালী চোয়াল। এর দুই পাটিতে ত্রিশূলের মতো দাঁত এতোটাই ধারালো যে শিকারের দেহ এক নিমেষে ছিন্নভিন্ন করে দিতে পারে।

অন্যদিকে, আফ্রিকান মাগুর মাছ দেখতে অনেকটা দেশি মাগুর মাছের মতো হলেও আকারে অনেক বড় হয়। সর্বভুক হওয়ায় খুব দ্রুত এই মাছ বেড়ে ওঠে।

একটি পরিণত আফ্রিকান মাগুর মাছ ৪ ফুট পর্যন্ত দীর্ঘ হতে পারে। ওজন হতে পারে ১৫/১৬ কেজির মতো।

পিরানহা মাছ প্রজাতি ভেদে লম্বায় সাধারণত ৬ ইঞ্চি থেকে এক ফুট এমনকি দেড় ফুট পর্যন্ত হতে পারে।

এই দুটি মাছকেই রাক্ষুসে স্বভাবের মাছ বলা হয়।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ইয়াহিয়া মাহমুদের সাথে কথা বলে জানা গেছে পিরানহা এবং আফ্রিকান মাগুর দুটোই হল স্বাদু পানির মাংসাশী মাছ।

পিরানহা মাছ সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় দক্ষিণ আমেরিকা, উত্তর আমেরিকা এমনকি আফ্রিকার উষ্ণ অঞ্চলে নদীর অববাহিকা, খাল, হ্রদ বিশেষ করে অগভীর জলাশয়ে।

অনুকূল পরিবেশ পেলে পিরানহা মাছ ৮-১০ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে।

আফ্রিকান মাগুর মূলত সারা বিশ্বের ছোট- বড় জলাশয়ে পাওয়া যায়।

ভীষণ নোংরা পানিতে এমনকি নর্দমা, পয়ঃনিস্কাশনের জলাধারে যেকোনো প্রতিকূল পরিবেশের সাথে লড়াই করে আফ্রিকান মাগুর স্বাচ্ছন্দ্যে জীবনধারণ করতে পারে।

এই দুই ধরণের মাঝ দল বেঁধে চলাফেরা করে এবং শিকারের ওপর আক্রমণ করে একসাথে।

এরা যেখানে থাকে সেখানকার ছোট বড় মাছ, মাছের ডিম, পোনা সেইসঙ্গে অন্যান্য জলজ প্রাণী মুহূর্তের মধ্যে খেয়ে নিঃশেষ করে ফেলতে পারে।

পিরানহা মাছ যদি কোন অবরুদ্ধ জায়গায় চাষ করা হয় এবং সেখানে যদি কোন মানুষ পড়ে যায় তাহলে পিরানহা ঝাঁক বেঁধে সেই জ্যান্ত ব্যক্তিকে এক নিমেষে খেয়ে সাবাড় করে ফেলতে পারবে।

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad