আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার বিধানে কাল থেকে মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী - Jashore Tribune

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, June 30, 2021

আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার বিধানে কাল থেকে মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী



কঠোর লকডাউনের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সমন্বয় অধিশাখা। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টা দিকে এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় যা বলবৎ থাকবে ১ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত। উক্ত সময়ে 'আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার' বিধানের আওতায় মাঠ পর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করবে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ।

এবারের প্রজ্ঞাপনে ২১টি বিধি নিষেধ দেয়া হয়েছে। যার শিরোনাম- 'করোনাভাইরাসজনিত রোগ (কোভিড-১৯)-এর বিস্তার রোধকল্পে সার্বিক কার্যাবলি/চলাচলে বিধি-নিষেধ আরোপ'। প্রজ্ঞাপনে লকডাউন বা শাটডাউন শব্দ উল্লেখ করা না হলেও কঠোর বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে।

১.১৮ নং ধারায় স্থান পেয়েছে সেনাবাহিনী রাখার বিধানটি। বলা হয়েছে, 'আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার' বিধানের আওতায় মাঠ পর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করবে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (ডিসি) সেনা কমান্ডারের সাথে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

১.১ ধারায় বলা হয়েছে, সকল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিসসমূহ বন্ধ থাকবে। তবে ১.১১ ধারা অনুযায়ী, শিল্প-কারখানাসমূহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চলবে। উক্ত সময়ে সড়ক, রেল, নৌপথ, আকাশপথ বন্ধ থাকবে (১.২)। বন্ধ থাকবে শপিংমল/মার্কেটসহ সকল দোকানপাট (১.৩)।

১.৪ ও ১.৫ ধারায় বলা হয়েছে, সকল পর্যটন কেন্দ্র, বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে। জনসমাবেশ সময় এমন সামাজিক অনুষ্ঠান ওয়ালিমা, জন্মদিন, পিকনিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে। সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত হোটেল রেস্তোরাঁ খোলা থাকবে শুধু বিক্রয়ের (অনলাইন/টেক অ্যাওয়ে) জন্য (১.১৫)।

শর্তসাপেক্ষে ব্যাংকিং সেবা চলবে (১.৭)। পণ্য পরিবহণ করা যাবে (১.৯)। বন্দর নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে (১.১০)। গণমাধ্যমসহ জরুরি পরিবহণ চলবে (১.৮)। সকাল ৯টা থেকে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত কাঁচাবাজার খোলা থাকবে (১.১২)। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে যাওয়া যাবে না (১.১৩)। টিকা কার্ড প্রদর্শন করে টিকা নিতে যাওয়া যাবে (১.১৪)। মসজিদ বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করবে ধর্মমন্ত্রণালয় (১.১৭)।

১.১৯ ধারায় বলা হয়েছে, লকডাউন কার্যকর করতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (ডিসি) জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও আনসার নিয়োগ ও টহলের অধিক্ষেত্র, পদ্ধতি ও সময় নির্ধারণ করবে। অন্যদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ম্যাজিস্ট্রেট সরবরাহ করবে (১.২০)। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তাদের মতো করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে (১.২১)

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad